ঢাকা | বঙ্গাব্দ

আজই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে পারে যুক্তরাজ্য

ইইউ’র সদস্য নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড এবং স্পেন মে মাসে জানায়, তারা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
  • অনলাইন ডেস্ক | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
আজই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে পারে যুক্তরাজ্য কিয়ার স্টারমার।

আজই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে যুক্তরাজ্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার রাষ্ট্রীয় সফর শেষে যুক্তরাজ্য ত্যাগ করার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেবেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য টাইমস।


দ্য টাইমস জানায়, আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ট্রাম্প তার দুই দিনের সফর শেষ করবেন এবং এরপরই ব্রিটেন ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে একটি ঘোষণা দিতে পারে। তবে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।


জুলাই মাসে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলি সরকার গাজার ভয়াবহ পরিস্থিতির অবসান এবং যুদ্ধবিরতির জন্য পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে জাতিসংঘের অধিবেশন আগেই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেবে যুক্তরাজ্য। যদিও ব্রিটেন দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে সংঘাতের অবসানের জন্য ‘দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান’ নীতিকে সমর্থন করে আসছে। 


এদিকে, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াও। তবে এই সিদ্ধান্ত হামাসকে পুরস্কৃত করা হয়ে বলে নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।


জুলাই মাসে স্টারমারের ঘোষণার পর ট্রাম্প বলেন, ব্রিটেন যদি এমন পদক্ষেপ নেয় তবে তার কোনও আপত্তি নেই। তবে পরে ফ্রান্স, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াও ফিলিস্তিনিকে স্বীকৃতি প্রদানের ইচ্ছা প্রকাশ করলে ট্রাম্প বলেন, কোনো ইউরোপীয় মিত্র যদি এমন পদক্ষেপ নেয়— তাহলে তার বিরোধিতা করবেন তিনি।


জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে কমপক্ষে ১৪২টি দেশ বর্তমানে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় অথবা স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি শক্তিশালী পশ্চিমা দেশ তা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।


ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য সদস্য নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড এবং স্পেন মে মাসে ইঙ্গিত দেয়, তারা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এবার স্টার্মারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরায়েলের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং জি-৭ সদস্য ও ইউরোপের প্রভাবশালী দেশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাজ্য।


সূত্র: রয়টার্স


এসজেড