ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জাভায় মাদ্রাসা ধস উদ্ধার অভিযান শেষ

এই ঘটনায় মোট হতাহতের সংখ্যা ১৭১ জন। যার মধ্যে ৬৭ জন নিহত এবং ১০৪ জন আহত হয়ে বেঁচে আছেন।
  • অনলাইন ডেস্ক | ০৭ অক্টোবর, ২০২৫
জাভায় মাদ্রাসা ধস উদ্ধার অভিযান শেষ ধসে পড়া মাদ্রাসার আরেকপাশ।

ইন্দোনেশিয়ার জাভায় মাদ্রাসা ভবন ধসের ঘটনায় ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়াদের উদ্ধার অভিযান মঙ্গলবার সমাপ্ত হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় ৬৭ জন নিহত হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএপি’র।


২৯ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে বহুতল আবাসিক মাদ্রাসা ভবনটির একটি অংশ ধসে পড়ে। ঘটনার সময় মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জোহরের নামাজের জামাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার (বাসরনাস) প্রধান মোহাম্মদ সায়াফি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুর্ঘটনার পর নবম দিনে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শেষ করেছি।


সংস্থাটির অপারেশন ডিরেক্টর যুধি ব্রামান্ত্যো বলেছেন, উদ্ধারকর্মীরা মঙ্গলবার ধসের স্থানের সমস্ত ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করেছেন, এলাকাটি তল্লাশি করেছেন এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে ধ্বংসস্তুপের ভেতরে আরও লাশ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।  তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই ঘটনায় মোট হতাহতের সংখ্যা ১৭১ জন। যার মধ্যে ৬৭ জন নিহত এবং ১০৪ জন আহত হয়ে বেঁচে আছেন।


জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা (বিএনপিবি)’র উপ-প্রধান বুদি ইরাওয়ান বলেছেন, ‘সেখানে এখনও লাশ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’ পুলিশের ডিজাস্টার ভিকটিম আইডেন্টিফিকেশন ইউনিটের মতে, এখন পর্যন্ত মাত্র ১৭টি লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। 


বিএনপিবি জানিয়েছে, ধসটি ছিল এ বছর ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক দুর্যোগ। তদন্তকারীরা ধসের কারণ পরীক্ষা করছেন। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক ইঙ্গিত অনুসারে নিম্নমানের নির্মাণ এই ঘটনার জন্য দায়ী হতে পারে। 


ইন্দোনেশিয়ায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ও নির্মাণ পদ্ধতির কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সেপ্টেম্বরে পশ্চিম জাভায় একটি প্রার্থনা পাঠের আয়োজনকারী ভবন ধসে পড়ার ফলে কমপক্ষে তিন জন নিহত ও আরো বেশ কয়েক আহত হয়।


সূত্র: এএফপি


এসজেড