ঢাকা | বঙ্গাব্দ

‘অটল’ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি কিমের

২০২২ সালে ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর থেকে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৫ মার্চ, ২০২৬
‘অটল’ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি কিমের কিম জং-উন।

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন জানিয়েছেন, তার দেশ সবসময় রাশিয়াকে সমর্থন দেবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আজ বুধবার এ কথা জানিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে পাঠানো এক ধন্যবাদ বার্তায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।


২০২২ সালে ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর থেকে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।  পিয়ংইয়ং মস্কোকে স্থলসেনা, গোলাবারুদ এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো বিভিন্ন উন্নত অস্ত্র সহায়তা প্রদান করেছে। এই সামরিক সহযোগিতা ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীকে শক্তিশালী করছে এবং এর বিনিময়ে রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য ও উন্নত সামরিক প্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছে।


রাষ্ট্রীয় কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার পাঠানো বার্তায় কিম বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণের পর প্রথমে আন্তরিক ও উষ্ণ শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য আমি আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’ উত্তর কোরিয়ার নামমাত্র আইনসভা এই সপ্তাহে কিমকে দেশটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও শাসন সংস্থার প্রধান হিসেবে পুনর্নিয়োগ করেছে। কিম বলেন, ‘আজ ডিপিআরকে (উত্তর কোরিয়া) ও রাশিয়া নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করছে। পিয়ংইয়ং সবসময় মস্কোর পাশে থাকবে। এটি আমাদের সিদ্ধান্ত এবং অটল অঙ্গীকার।’


দক্ষিণ কোরিয়া ও পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনুমান করেছে, উত্তর কোরিয়া কামানের গোলা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং দূরপাল্লার রকেট ব্যবস্থাসহ হাজার হাজার সেনা রাশিয়ায়, প্রধানত কুর্স্ক অঞ্চলে, পাঠিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ২,০০০ সেনা নিহত এবং আরও হাজার হাজার সেনা আহত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে পুতিনের পিয়ংইয়ং সফরের সময় উভয় দেশ একটি সামরিক চুক্তি করে, যেখানে কোনো এক পক্ষ আক্রান্ত হলে ‘বিলম্ব না করে’ সামরিক সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়।


কিমের এই বার্তার পর বেলারুশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো ‘দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার’ করতে বুধবার দুই দিনের সফরে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন। উভয় দেশই ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে রাশিয়াকে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত। উত্তর কোরিয়া এখনো এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।


সূত্র: এএফপি 


এসজেড