ঢাকা | বঙ্গাব্দ

অভাবনীয় সাফল্য, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলের সবাই পেল জিপিএ-৫

এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।
  • অনলাইন ডেস্ক | ১০ আগস্ট, ২০২৬
অভাবনীয় সাফল্য, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলের সবাই পেল জিপিএ-৫ সংগৃহীত ছবি

এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে এবং প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পেয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে শতভাগ পাসসহ ভালো ফলাফল করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় প্রতিবছরই বোর্ডের সেরা ফলাফলের তালিকায় জায়গা করে নেয় বিদ্যালয়টি। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে ৩২০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করার পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

এর আগে ২০২৪ সালে ২৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ২০২৩ সালে ২৭৮ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৭০ জন। ২০২২ সালে ২৬৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি শতভাগ পাস করেছিল। ২০২১ সালে ২৪৭ জনের মধ্যে ২৩৭ জন, ২০২০ সালে ২১৪ জনের মধ্যে ২০০ জন, ২০১৯ সালে ১৭১ জনের মধ্যে ১৬৮ জন এবং ২০১৮ সালে ১৩৯ জনের মধ্যে ১৩৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ২০১৭ সালে ১৬৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী তাজরিয়ান হোসেন মুন বলেন, ‘বাবা-মা ও শিক্ষকদের পরিশ্রমের কারণেই আমার এই ফলাফল। জিপিএ-৫ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া।’

নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বরাবরই ভালো ফলাফল করছে। এবার শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে। সারাদেশের সার্বিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে আশা করছি, আমরা দেশসেরা অবস্থানে থাকব।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, ‘একটি বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের মূলমন্ত্র হচ্ছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয়। আর আমাদের মূলমন্ত্র হচ্ছে আবদুল কাদির মোল্লা। এ ছাড়া আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এত কঠোর পরিশ্রম করেন যে ভালো ফলাফল করতে তারা বাধ্য।’