বগুড়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর বিদেশ পালাতে ঢাকায় গিয়ে পাসপোর্ট ও শারীরিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেন মো. মুন্না (১৯)। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে জেলার শেরপুর উপজেলার বাসট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
আজ বুধবার (২২ মে) বিকেলে র্যাব-১২ বগুড়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। গ্রেফতার মুন্না সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আব্দুল মমিনের ছেলে।
র্যাব বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, গত ১ মে সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী নিজ বাড়ির পাশে চাচার বাড়িতে যাচ্ছিল। পথে প্রতিবেশী মুন্না তাকে খিচুড়ি রান্না দেখানোর কথা বলে বাড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় মুন্নার বাড়িতে কাউকে দেখতে না পেয়ে ওই স্কুলছাত্রী সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে মুন্না তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ঘটনার ১২ দিন পর স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গত ১৩ মে বগুড়া সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানী কমান্ডার (এসপি) মীর মনির হোসেন বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকে মুন্না পলাতক ছিলেন। তিনি গ্রেফতার এড়াতে ঢাকায় গিয়ে বিদেশে শ্রমিক ভিসায় পাড়ি দিতে পাসপোর্ট ও শারীরিক পরীক্ষা সম্পূর্ণ করে শেরপুরে এসে আত্মগোপন করেন।
পরে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ বিকেলে তাকে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান বগুড়া র্যাবের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।