ঢাকা | বঙ্গাব্দ

আজানের সুরে দোয়া—পাওয়া যাবে প্রিয় নবীর সুপারিশের সৌভাগ্য

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনে আমার জন্য দোয়া করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত অবশ্যম্ভাবী হয়ে যাবে।’
  • নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
আজানের সুরে দোয়া—পাওয়া যাবে প্রিয় নবীর সুপারিশের সৌভাগ্য ফাইল ছবি


আজান হলো ইসলামের এক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের আহ্বান, যার মাধ্যমে মুসলিম সমাজকে আল্লাহর ইবাদতের দিকে ডাকা হয়। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে মসজিদের মিনারে আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়, আর সেই সুরে হৃদয় ভরে ওঠে ঈমানি আবেগে। তবে আজানের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক বিশেষ দোয়া, যা পাঠ করলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শাফায়াত বা সুপারিশ লাভ করা যায় বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।


হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যখন মুয়াজ্জিন আজান শেষ করেন, তখন মুসলিমদের উচিত তাঁর আহ্বানের জবাবে বিশেষ একটি দোয়া পাঠ করা। এ দোয়ার মধ্যে রয়েছে নবীজির জন্য আল্লাহর কাছে ওসিলা ও ফজিলত কামনা। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনে আমার জন্য দোয়া করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত অবশ্যম্ভাবী হয়ে যাবে।’ এ থেকে বোঝা যায়, মুসলমানের জীবনে আজানের পরের এই দোয়া এক অনন্য নিয়ামত।


ধর্মীয় আলেমরা বলেন, আজান শুধু নামাজের ডাক নয়, এটি এক মহৎ ইবাদত ও সুন্নাহ। মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আল্লাহর মহিমা ও মহানবীর (সা.) রিসালতের ঘোষণা শোনার পর যে দোয়া পড়া হয়, তাতে নিহিত আছে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ। বিশেষ করে কিয়ামতের দিন নবীজির শাফায়াত পাওয়া মুসলিমের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ সৌভাগ্য, আর সেই সুযোগ এনে দেয় এই সংক্ষিপ্ত দোয়া।


আজানের প্রতিটি শব্দ মুসলিম হৃদয়কে সজীব করে, আর তার প্রতিউত্তরে দোয়া পাঠ করলে জীবনে বরকত নেমে আসে। ধর্মবিশারদদের মতে, আধুনিক যুগের ব্যস্ততায় অনেকে আজানের পর এই দোয়া পড়তে ভুলে যান। অথচ সামান্য এই ইবাদতই হতে পারে চিরস্থায়ী মুক্তির মাধ্যম। তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত আজান শুনে নবীজির জন্য এই বিশেষ দোয়া করা এবং তাঁর শাফায়াত লাভের জন্য প্রার্থনা করা।


https://thebgbd.com/BYB