২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কয়লার ব্যবহার রেকর্ড পরিমাণে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের বার্ষিক এক প্রতিবেদনে বুধবার এ কথা জানিয়েছে। শিল্পকে চাঙ্গা করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত নীতিগত পদক্ষেপের ফলে এটি সম্ভাবনা রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা কয়লা শিল্পের ওপর তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলেছে, এ বছর কয়লার চাহিদা ০ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড ৮ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন টনে পৌঁছাবে। যদিও প্রতিদ্বন্দ্বী উৎপাদন বিকল্পগুলো বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দশকের শেষ নাগাদ এটি ধীরে ধীরে এর চাহিদা হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে, বিশেষত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের কারণে চীন ও ভারত কয়লা ব্যবহারের প্রধান চালিকাশক্তি। তবে কয়লার চাহিদা চীনে স্থিতিশীল থাকলেও ভারতে এর ব্যবহার কমেছে।
কয়লা মানব-সৃষ্ট কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের প্রধান উৎস এবং জলবায়ু উষ্ণায়নে বড় ভূমিকা রাখছে। আইইএ আশা করছে চীন, বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও, আগামী পাঁচ বছরে কয়লার চাহিদা চীনে কিছুটা কমবে। ভারতে তীব্র ও প্রথম বর্ষা মৌসুমের কারণে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চাহিদা পাঁচ দশকের মধ্যে মাত্র তৃতীয়বারের মতো কমেছে।
আইইএ বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রে কয়লার প্রতি শক্তিশালী নীতি সর্মথনের কারণেই, ২০২৫ সালে দেশটিতে কয়লার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।’ যুক্তরাষ্ট্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং ফেডারেল সরকারের নেতৃত্বে নীতিগত সহায়তার কারণেই, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ হওয়ার বদলে উল্টো চালু থাকছে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড