রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে মাত্র এক পয়েন্টে এগিয়ে থেকে ন্যু ক্যাম্পে সেভিয়ার মুখোমুখি হয় বার্সেলোনা। বড় জয়ে সেই ব্যবধান ফের বাড়াল তারা।
৫-২ গোলে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করে বার্সা লা লিগার শীর্ষে তাদের চার পয়েন্টের লিড পুনরুদ্ধার করেছে। রাফিনিয়া হ্যাটট্রিক করেছেন। নিউক্যাসলের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগের আগে হ্যান্সি ফ্লিকের দল দারুণভাবে প্রস্তুতি সেরেছে। দানি ওলমো ও জোয়াও কানসেলোও গোল করেছেন।
বার্সেলোনার জন্য এটি ছিল মধুর প্রতিশোধ। অক্টোবরে সেভিয়ার কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা। রোববার দুই অর্ধের শেষদিকে সেভিয়ার ওসো ও জিব্রিল সো গোল শোধ দিয়ে ব্যবধান কমান।
নভেম্বরে ন্যু ক্যাম্পে ফেরার পর এটি ছিল বার্সার টানা ১২তম জয় এবং এই সময়ে তাদের গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯-এ। লামিন ইয়ামালকে বেঞ্চে রেখে এই জয় পেয়েছে বার্সা। ৬৭ মিনিট পর্যন্ত তাকে বিশ্রামে রাখেন ফ্লিক।
ম্যাচের মাত্র সাত মিনিট পর সো কানসেলোকে ডি-বক্সে ফাউল করলে স্বাগতিকরা দ্রুত লিড নেওয়ার সুযোগ পায়। রাফিনিয়া শান্তভাবে একটি পানেনকা শটে পেনাল্টিতে গোল করেন। ২১ মিনিটে দ্বিতীয় স্পট কিক থেকে ব্রাজিলিয়ান তারকা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। গোলপোস্টের নিচের কোণায় শটটি জালে জড়ান।
৩৮ মিনিটে সেভিয়ার রক্ষণভাগ ভেঙে পড়লে ওলমো তৃতীয় গোলটি করেন। সেভিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আশা জাগিয়ে তোলে তারা। হুয়ানলু সানচেজের একটি চমৎকার ক্রসে দারুণ ভলিতে গোল করেন ওসো।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পর ৫১ মিনিটে রাফিনিয়া তার হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। বার্সেলোনা আবারো নিজেদের আধিপত্য ফিরে পায়। ফারমিন লোপেজ একটি ড্রাইভ রানের মাধ্যমে সুযোগটি তৈরি করেন এবং রাফিনিয়ার শট নেমানজা গুডেলজের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
৬০ মিনিটে একটি চমৎকার একক প্রচেষ্টায় কানসেলো স্কোরবোর্ডে নিজের নাম লেখান। ম্যানচেস্টার সিটির প্রাক্তন এই ফুলব্যাক মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়েন এবং গুডেলজকে কাটিয়ে ভ্লাচোডিমোসের দুই পায়ের মাঝ দিয়ে শট নিলে তা পোস্টে লেগে ভেতরে ঢুকে যায়।
রবার্ট লেভান্ডোভস্কি শেষের দিকে বার্সার লিড বাড়ানোর দুটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন এবং ইনজুরি টাইমে সো একটি গোল করে ব্যবধান কমান।
thebgbd.com/NIT